
এম. কে. দোলন বিশ্বাস, ইসলামপুর (জামালপুর)
এম. কে. দোলন বিশ্বাস, ইসলামপুর (জামালপুর)
সকল লেখা

কাবিখার কাজ ‘কাগজে শতভাগ’, খবর প্রকাশের পর মেয়াদ শেষে মাঠে কাজ শুরু
জামালপুরের বকশীগঞ্জে সরকারের কাজের বিনিময়ে খাদ্যশস্য (কাবিখা) প্রকল্পের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাস পর দুটি প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়েছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কাজ শেষ না করেই তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রকল্পের বরাদ্দ, সভাপতির নাম ও কাজ শেষের সময়সীমাসহ বিভিন্ন তথ্যসংবলিত সাইনব

কাজ না করেই কাবিখা প্রকল্প শতভাগ বাস্তবায়ন, পিআইও বললেন, ‘আমি সৎ’
জামালপুরের বকশীগঞ্জে কাজের বিনিময়ে খাদ্যশস্য (কাবিখা) প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অধিকাংশ প্রকল্পে নামমাত্র কাজ করা হয়েছে। আবার কয়েকটি প্রকল্পের কাজ শুরু না হলেও কাগজে-কলমে শতভাগ বাস্তবায়ন দেখানো হয়েছে।

ইসলামপুরে কাবিখা প্রকল্প: নামমাত্র কাজ করে চাল-গম আত্মসাতের অভিযোগ
জামালপুরের ইসলামপুরে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের গৃহীত কাজের বিনিময়ে খাদ্যশস্য (কাবিখা) প্রকল্পের কাজে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নামমাত্র কাজ করে সরকারি বরাদ্দের চাল-গম আত্মসাত করা হয়েছে।

তিন দশক ধরে ১০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে দিতে হয় ভোট, নতুন কেন্দ্রের দাবি
ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ থাকলেও ভোট দিতে গিয়ে যেন সংগ্রাম করতে হয় জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার সাপধরী ইউনিয়নের বীর সাপধরী এলাকার বাসিন্দাদের। প্রায় তিন দশক ধরে ভোট দিতে তাঁদের পাড়ি দিতে হচ্ছে প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ। ইউনিয়নের এক কোণায় মণ্ডলপাড়া ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে হয় তাঁদের।

ইসলামপুরে নদীভাঙন থেকে রক্ষা পেতে মোনাজাত ও মানববন্ধন
জামালপুরের ইসলামপুরে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রহ্মপুত্র, যমুনাসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন।

ইসলামপুরে রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের ইট ব্যবহার, অভিযুক্ত যুবদল নেতা
জামালপুরের ইসলামপুরে দৌলত এন্টারপ্রাইজের অধীনে তিনটি রাস্তার এইচবিবিকরণ কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতা হামিদুর রহমান মলিনের বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের পর পিআইও কার্যালয় বলছে, নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হলে নতুন করে কাজ করানো হবে।

জামালপুরের ইসলামপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ভুল বানানের ছড়াছড়ি
গাইবান্ধা ইউনিয়নের নাপিতেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামফলকে ‘সরকারি’, ‘প্রাথমিক’ এবং ‘খ্রিস্টাব্দ’ শব্দগুলোতে ভুল আছে। কড়ইতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সরকারি’ এবং ‘প্রাথমিক’ শব্দের বানানে বিসর্গ ব্যবহার করা হয়েছে। ‘নির্মাণ’-এর বদলে ‘নির্মাণ’ এবং ‘খ্রিস্টাব্দ’-এর স্থলে ভুলভাবে ‘ইং’ লেখা হয়

শিক্ষার্থীদের ধরে রাখতে ফটকে তালা: এক মাসে সেই বিদ্যালয়ের ৭ ছাত্রীর বিয়ে
সাপধরী উচ্চবিদ্যালয়টি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ৯৮ জন শিক্ষার্থী এখানে পড়ালেখা করে। গত এক মাসে এই বিদ্যালয়ের সাতজন ছাত্রীর বিয়ে হয়ে গেছে। এর মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণির দুজন ছাত্রীর মধ্যে একজনের, সপ্তম শ্রেণির ১৫ জন ছাত্রীর মধ্যে তিনজনের, অষ্টম শ্রেণির ১২ জন ছাত্রীর ম

১টা বাজলেই আর স্কুলে থাকে না শিক্ষার্থীরা, ফটকে তালা দিয়েও ঠেকানো গেল না
ঘড়ির কাঁটায় দুপুর ১টা। স্কুল ছুটির ঘণ্টা তখনো বাজেনি। কিন্তু শিক্ষকেরা শ্রেণিকক্ষে গিয়ে দেখেন প্রায় সব কক্ষই ফাঁকা। শিক্ষার্থীদের খুঁজতে গিয়ে তাঁরা দেখেন, এরই মধ্যে বিদ্যালয় থেকে বাড়ির পথ ধরেছে শিক্ষার্থীরা। এমন অবস্থা দেখে বিপদে শিক্ষকেরা। যেখানে শিক্ষার্থীদের ছুটির সময় বিকেল ৪টা, আর দুপুর ১টায়ই

পাড় দখল করে স্থাপনা ঝুঁকিতে শতকোটির সেতু
বিশাল সেতু। তারই দুই পাশে পাড় দখল করে স্থাপনা নির্মাণের হিড়িক পড়েছে। কেউ নির্মাণ করছে বাড়ি। কেউ কেউ নির্মাণ করছে দোকানপাট। এ ছাড়া মাটি কেটে নিজেদের ইচ্ছামাফিক সীমানা তৈরি করে সেতুর জমি ভোগদখল করছে। স্থাপনা নির্মাণের জন্য কেউ কেউ সেতুর সিসি ব্লকও কেটে ফেলেছে।

যমুনার ভাঙনের মুখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আতঙ্কে নদীর পাড়ের মানুষ
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় অসময়ে ভাঙছে যমুনা নদী। তীব্র ভাঙনে প্রতিনিয়ত নিঃস্ব হচ্ছেন শত শত মানুষ। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা।

শুষ্ক মৌসুমেও নদীভাঙন, দিশেহারা যমুনাপারের বাসিন্দারা
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় শীতের এই শুষ্ক মৌসুমেও ভাঙছে যমুনার পাড়। নদীগর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে শত শত বিঘা ফসলি জমি, বাড়িঘর। দিশেহারা হয়ে পড়েছে নদীপারের বাসিন্দারা। বছরের পর বছর বর্ষায় নদীভাঙন অব্যাহত থাকলেও প্রতিরোধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় অসময়ে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এর জন্য কর্তৃপক্ষকে দায়ী করছেন স্থানীয়রা

বকশীগঞ্জ ওসির বিরুদ্ধে এজাহারভুক্ত আসামিদের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ
জামালপুরের বকশীগঞ্জে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদের বিরুদ্ধে মামলার এজাহারভুক্তসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের গ্রেপ্তার করে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে ওসি অভিযোগ অস্বীকার করে এটিকে কুচক্রী মহলের অপপ্রচার বলে দাবি করেছেন।
